শিলচর, ২১ আগস্ট : মেঘালয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু স্বামী বিবেকানন্দ প্রমূখ মনীষীদের মূর্তি ভাঙ্গন থেকে শুরু করে অসমের জনগণের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করা খাসি ছাত্র সংস্থার কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হল হিন্দু যুব ছাত্র পরিষদ অসম। সংগঠনের পক্ষ থেকে ছাত্র সংস্থার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের কঠোর শাস্তির দাবি করার পাশাপাশি সংগঠনকে সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নীতিশ ভট্টাচার্য পিন্টু এক বিবৃতিতে জানান, অসমের সঙ্গে সংঘাতে গেলে ওদের যে ‘ভাতে মরতে হবে’, সেটা জানা থাকা দরকার। ওদের জেনে রাখা প্রয়োজন যে, অসবে প্রবেশের ক্ষেত্রে ওদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরো ফলে সেই রাজ্যের খনিজ সম্পদ শিল্প ছাড়াও ট্যুরিজম শিল্প ও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হবে। কেননা , শনি ও রবিবার মেঘালয়ের রাজধানীতে অসমের জনগণের ভিড় জমে থাকে। অর্থাৎ ওরাই অসমের উপর নির্ভরশীল। অসমবাসী নয়।
সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড থেকে এটা প্রমাণিত যে খাসি ছাত্র সংস্থা এখন আর ছাত্র সংস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এদের মানসিকতা অনেকটা উগ্রবাদীদের সমতুল্য। সুতরাং সেই সংস্থাকে শীঘ্রই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা সময়ের দাবি। বিশেষ করে নেতাজির মূর্তি ভাঙচুর করে তারা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
বলেন, গোটা বিশ্ব যাঁকে মুক্তির দিশারী বলে কুর্নিশ করে, ঘরের মাটিতে তিনি আজও নোংরা রাজনীতি আর নির্লজ্জ রাষ্ট্রীয় উপেক্ষার শিকার! যাঁর বুকের পাটায় এই ভূখণ্ডের প্রতিটা ধূলিকণা স্বাধীন নিঃশ্বাস নিল, আজ শিলংয়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে তাঁর মূর্তিকে ধুলোয় ফেলে দেওয়ার স্পর্ধা দেখায় একদল উগ্রপন্থী?
আর সেই দৃশ্য দেখেও ক্ষমতার গদিতে বসে থাকা সরকার মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে! ধিক্কার এই মেরুদণ্ডহীন প্রশাসনকে।

