কাটলিছড়ায় রেশন দোকানে ১ কেজির মসুর ডালের প্যাকেটে ওজন কম!
কোথাও ৭৮০, কোথাও ৮২০ গ্রাম—গ্রাহকদের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য
কাটলিছড়া , ৬ সেপ্টেম্বর :: আসাম সরকারের উদ্যোগে রাজ্যের রেশন দোকানগুলিতে ফের নিয়মিতভাবে চিনি ও ডাল বিতরণ শুরু হয়েছে। আর এই ডাল বিতরণকে কেন্দ্র করেই কাটলিছড়ায় উঠেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। ১ কেজি লেখা মসুর ডালের প্যাকেট ওজন করে কোথাও প্রায় ৭৮০ গ্রাম, আবার কোথাও ৮২০ গ্রাম পাওয়া গেছে বলে দাবি স্থানীয় গ্রাহকদের।
ঘটনাটি ঘটেছে কাটলিছড়া বাইপাস সংলগ্ন একটি রেশন দোকানে। স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, প্যাকেটের গায়ে মসুর ডালের পরিমাণ ১ কেজি উল্লেখ থাকলেও কয়েকটি প্যাকেট ওজন করার পর নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতি ধরা পড়ে। বিষয়টি নজরে আসতেই গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
গ্রাহকরা রেশন দোকানের মালিককে বিষয়টি জানান এবং প্রশ্ন তোলেন, সরকার যেখানে ১ কেজি ডাল দেওয়ার কথা নির্ধারণ করেছে, সেখানে প্যাকেটের ওজন কম কেন? তবে স্থানীয় গ্রাহকদের একাংশের ধারণা, সরকারের পক্ষ থেকে পরিমাণে কোনও ঘাটতি থাকার কথা নয়। প্যাকেজিংয়ের সময়ই ওজনের এই তারতম্য হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁদের অনুমান।
গ্রাহকদের আরও বক্তব্য, প্যাকেটজাত রেশন সামগ্রীর ওজন নিয়ে এ ধরনের অভিযোগ সামনে এলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে এবং অযথা সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই অভিযোগের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে ১২১ নম্বর বিধানসভা সমষ্টির বিধায়ক ড° মিলন দাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় গ্রাহকরা। তাঁদের দাবি, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দেখা এবং ১ কেজির প্যাকেটে ওজন কম থাকার আসল কারণ চিহ্নিত করা।
রেশন সামগ্রীর ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণের ঘাটতিও সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা।

এখন মূল প্রশ্ন—১ কেজির প্যাকেটে কেন মিলছে ৭৮০ বা ৮২০ গ্রাম? প্যাকেজিংয়ের সময় গাফিলতির কারণে এই ওজনের তারতম্য, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ—তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। প্রশাসনের তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় গ্রাহকরা।

